বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
Phulpur24
ক্রাইম

ধোবাউড়ায় শিশুকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

ধোবাউড়ায় শিশুকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

ফারহানা আক্তার

Translator

৯ জুলাই ২০২৬2 মিনিট পড়া22 বার দেখা হয়েছে
ধোবাউড়ায়  শিশুকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
phulpur.24
ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় পাঁচ বছরের এক শিশুকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় চার আসামির মধ্যে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপর এক অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামিকে সাড়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঘটনার মাত্র ২৪ দিনের মাথায় এবং মাত্র ১০ কার্যদিবসের মধ্যে এই চাঞ্চল্যকর মামলার বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নজিরবিহীন ও দৃষ্টান্তমূলক রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। দন্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, আরিফ, রাকিব ও সায়েম এবং মারুফ মিয়া। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে ময়মনসিংহের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল পৃথকভাবে এই রায় ঘোষণা করেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি আরিফ, রাকিব ও সায়েমকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা মোতাবেক মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ২ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে, যা ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারকে প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সুদীপ্তা সরকার এই রায় প্রদান করেন। অন্যদিকে, অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামি মারুফ মিয়াকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং দণ্ডবিধির ২০১ ধারা মোতাবেক আরও আড়াই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মেছবাহ উদ্দিন আহমেদ এই রায় ঘোষণা করেন। রায় অনুযায়ী, দুটি দণ্ডই একসঙ্গে কার্যকর হবে। মারুফ যতদিন অপ্রাপ্তবয়স্ক থাকবে, ততদিন তাকে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে রাখা হবে এবং পরবর্তীতে সাধারণ কারাগারে স্থানান্তর করা হবে। আদালত সূত্রে আরও জানা গেছে, আসামি পক্ষে কোনো আইনজীবী না থাকায় আদালত রাষ্ট্রপক্ষের একজন আইনজীবী নিযুক্ত করে দেন। অত্যন্ত দ্রুততার সাথে মোট ১০ কার্যদিবসে ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন করার পর আদালত এই চূড়ান্ত রায় দেন। উল্লেখ্য, গত ১৪ জুন বিকেলে স্থানীয় বাজার থেকে চিপস কিনে বাড়ি ফেরার পথে কদম ফুল দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে কংস নদের পাড়ে একটি জঙ্গলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ করে চার তরুণ। এরপর তাকে জীবিত অবস্থায় নদীতে ফেলে এবং পানির নিচে চেপে ধরে মৃত্যু নিশ্চিত করে মরদেহ তলদেশে পুঁতে রাখে। ঘটনার দিন রাতেই মরদেহ উদ্ধ

ট্যাগ:

নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন

সর্বশেষ সংবাদ সরাসরি আপনার ইনবক্সে পান

সম্পর্কিত সংবাদ

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শ্রীপুরে দোকান ভাঙচুর, দিশেহারা ব্যবসায়ীরা
ক্রাইম১৭ জুলাই ২০২৬

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শ্রীপুরে দোকান ভাঙচুর, দিশেহারা ব্যবসায়ীরা

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শ্রীপুরে দোকান ভাঙচুর, দিশেহারা ব্যবসায়ীরা