Wednesday, September 2, 2026
Local

শ্রীপুরে জঙ্গলে ১২ ঘোড়ার মাথা-চামড়া উদ্ধার, মাংস নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা

G

gazipur Correspondent

Reporter

August 17, 20262 min read12 views
শ্রীপুরে জঙ্গলে ১২ ঘোড়ার মাথা-চামড়া উদ্ধার, মাংস নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা
1000010371
গাজীপুরের শ্রীপুরে গভীর জঙ্গল থেকে একের পর এক ঘোড়ার মাথা, চামড়া, পা, নাড়িভুঁড়ি ও হাড়গোড় উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা, রাতের আঁধারে নির্জন ওই স্থানে ১০ থেকে ১২টি ঘোড়া জবাই করে মাংস নিয়ে গেছে একটি চক্র। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে উপজেলার কর্ণপুর-বরমী আঞ্চলিক সড়কের বরমী ও গোসিংগা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী মুদিপাড়া এলাকার জঙ্গল থেকে এসব ঘোড়ার দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। সকালে ঘাস কাটতে গিয়ে স্থানীয় কয়েকজন প্রথমে বিষয়টি দেখতে পান। স্থানীয়রা জানান, কর্ণপুর-বরমী আঞ্চলিক সড়ক থেকে একটি সরু পায়ে হাঁটা পথ জঙ্গলের ভেতরে চলে গেছে। ওই পথের দুই পাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল ঘোড়ার মাথা, চামড়া, পা, হাড় ও নাড়িভুঁড়ি। আশপাশে প্রায় দুই কিলোমিটারের মধ্যে কোনো বসতবাড়ি নেই। ফলে নির্জন ওই স্থানটি ঘোড়া জবাইয়ের জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। গোসিংগা ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য সুমন প্রধান বলেন, রাতের যেকোনো সময় ১০ থেকে ১২টি ঘোড়া জবাই করে মাংস নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সকালে স্থানীয় এক কৃষক ঘোড়ার মাথা, চামড়া, পা, নাড়িভুঁড়ি ও হাড়গোড় পড়ে থাকতে দেখে তাকে জানান। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। শ্রীপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আশরাফ হোসেন বলেন, ঘটনাস্থল থেকে ১২টি ঘোড়ার মাথা উদ্ধার করা হয়েছে। আশপাশে প্রায় দুই কিলোমিটারের মধ্যে কোনো বাড়িঘর নেই। ধারণা করা হচ্ছে, ঘোড়াগুলো জবাই করে মাংস নিয়ে গিয়ে দেহের বিভিন্ন অংশ সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঘোড়ার মাংস কারা নিয়ে গেছে, কোথায় বিক্রি করা হচ্ছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, এসব বিষয় খুঁজে বের করতে কার্যক্রম চলছে। উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষ মাটিচাপা দেওয়া হবে এবং ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘোড়াগুলো কোথা থেকে আনা হয়েছিল, কারা জবাই করেছে, মাংস কোথায় নেওয়া হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে কোনো চক্র জড়িত কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

Tags:

Subscribe to Newsletter

Get the latest news directly to your inbox

Related Articles